Sunday, 27 October 2019

ছাত্রজীবনের অলস সময় টাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার কিছু দূর্দান্ত উপায়

ছাত্রজীবনের অলস সময় টাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার কিছু দূর্দান্ত উপায়:

‌‌টিউশনি করানো : টিউশনি শব্দটা শুনলেই এক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা ভাবে যে ছেলেটা অনেক অভাবী । কিন্তু এই টিউশন থেকে একজন স্টুডেন্ট তার মেধাটাকে যে কতটা জ্বালিয়ে নিতে পারে তা সে বুঝতে পারে যখন সে কোন কর্মক্ষেত্রে এ্যাপ্লাই করতে যায় ।চর্চা ছাড়া কোন কিছুতেই সফল হওয়া সম্ভব না । আপনি যদি কোন একটা ক্লাস খুবই মনোযোগ দিয়ে করেন কিন্তু এটাকে যদি রিভিউ না করেন কোন ফায়দা যেমন নেই ঠিক তেমনি ২০ বছর লেখাপড়া করে যখন কেউ চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যায় তখন সে দশম শ্রেণীতে করা অঙ্কের সমাধান ভুলে বসে শুধুমাত্র চর্চার অভাবে । আর নিজের অজান্তেই এ চর্চা হয়ে যায় যারা এ ছোট্ট টিপস্ টা ফলো করে । শুধু টিউশনি নয় বাসা-বাড়িতে ছোট ভাই বোনদের পড়াশোনায় সময় দিয়েও করে ফেলা যায় এ দূর্দান্ত অনুশীলন।

তবে নিজের পড়াশোনা বাদ দিয়ে এটা নিয়ে বসে থাকলে চলবে না । যে সময় টুকু অযথা নষ্ট হয় সেটুকু কাজে লাগাতে হবে ।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রামিং

আমাদের মাঝে এমন অনেক মানুষ ই আছেন যারা খুব তুখোড় মেধাবী । কিন্তু ঘুটি কয়েক মানুষের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করতে হাত পা কাপে । কি বলবে না বলবে ভেবে পায় না । এর কারণ একটাই । সে কথা বলাতে অভ্যস্ত নয় । তাই ছাত্রজীবনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে নিজের ভিত্তি শক্ত করে নিলে অদূর ভবিষ্যতে কাজে দিবেই দিবে ।

রুটিন মেনে কাজ করা

সময়ের কাজ সময়ে না করলে কোন কাজেই সফলতা আসেনা । কাজেই সফলতা অর্জনের জন্য প্রত্যেক ছাত্রকেই তার জীবনের শুরু থেকেই সময়ানুবর্তিতা মেনে রুটিন মাফিক কাজ করা উচিত আজকের পড়া আগামী দিনের জন্য রেখে না দিয়ে পারলে আগামীদিনের পড়াটাও আজকে শেষ করা হল বুদ্ধিমানের কাজ । আর যদি শিক্ষা জীবন থেকেই সময়ানুবর্তিতা মেনে কাজ করে যেতে পারেন তাহলে ভবিষ্যতের কর্মজীবনেও এই সময়ানুবর্তিতা আপনাকে নিয়ে যাবে সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে। যদি বিশ্বের সফল ব্যক্তিদের জীবনের সফলতার কারণ দেখতে চান তাহলে খুঁজে দেখবেন তাদের জীবনে তারা সময়ের মূল্য কতটা দিয়েছিল।

মিতব্যায়িতা

জীবনে সফল হতে চাইলে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মিতব্যায়ী হওয়া । তবে এরকম কিপ্টে ধরনের লোক না হওয়াই ভালো যে একেবারে খরচ করে না, তাহলে আবার সমাজে সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলা তার জন্য কষ্টের হবে এবং সবার টিটকারি শুনতে হবে। তবে ছাত্রজীবন থেকেই মিতব্যায়ী হতে পারলে ভবিষ্যতে কর্মজীবনেও এই অভ্যেস থেকে যাবে ফলে, সাশ্রয়ী ব্যয় একসময় এক সময় জীবনকে আরো সহজ করে দিবে ।

যেকোনো কাজের পূর্বে সঠিক পরিকল্পনা

যেকোনো কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করার পূর্বে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা। বলা হয়ে থাকে "সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা মানে যেকোনো কাজের অর্ধেক শেষ করা"। আপনি যদি লক্ষ করুন আপনি এখন যে বাসার ছাদের নিচে বসে আছেন এটাকে তৈরি করতে প্রয়োজন হয়েছিল একজন পরিকল্পনাকারীর কেন না যদি পরিকল্পনা ছাড়াই কোন প্রকার অবকাঠামো ছাড়াই বাড়ি তৈরি করার কাজে নেমে যেত তাহলে এটা কেমন হতো একবারও কি ভেবে দেখেছেন ? কাজটা কি আদৌ সঠিকভাবে শেষ হতো! কক্ষনো না ! ঠিক তেমনি আপনি যদি ছাত্রজীবনে আগামী দিনের পরিকল্পনা না করেন দেখবেন কোন কাজই আপনি পুরোপুরি শেষ করতে পারবেন না। তাই ছাত্রজীবনে প্রত্যেকটি কাজে যদি পরিকল্পনা গ্রহণের অভ্যাস থাকে আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনে প্রত্যেকটি কাজই আপনি সফলতার সহিত শেষ করতে পারবেন এবং কর্মজীবনে পেরেশানির শিকার হতে হবে না।


No comments:

Post a Comment